You are currently viewing কাঠবিড়ালি সম্পর্কে এ কি অবাক করা তথ্য দেখুন….
ছবিঃ কাঠবিড়ালি

কাঠবিড়ালি সম্পর্কে এ কি অবাক করা তথ্য দেখুন….

অস্ট্রেলিয়া ব্যাতীত বিশ্বের প্রায় সকল দেশে ২০০ প্রজাতির কাঠবিড়ালি রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট প্রজাতির কাঠবিড়ালির নাম “আফ্রিকান পিগমি”। এরা মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত দৈর্ঘ্যে ৫ ইঞ্চি হয়ে থাকে।অন্য সকল প্রজাতির কাঠবিড়ালি আকৃতিতে বড় হয়ে থাকে।এরা গাছে চলেফেরা করতে বেশি পছন্দ করে। ইন্ডিয়ান দৈত্যকার আকৃতির কাঠবিড়ালি লম্বায় তিন ফুট পর্যন্ত হয়। কাঠবিড়ালিদের চারটি দাঁত থাকে কখনই বড় হয় না। এ বৈশিষ্ট্য এক প্রজাতির ইঁদুর এর ক্ষেত্রেও দেখা যায়। গাছ কাঠবিড়ালি এক গাছ হতে অন্য গাছে, এক ডাল হতে অন্য ডালে লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। এছাড়া অন্য কাঠবিড়ালি গুলো মাটিতে চলাফেরা করে। শীতকালে কাঠবিড়ালি শীতনিদ্রাতে যাওয়ার জন্য মাটিকেই উপযুক্ত স্থান মনে করে।

squirrell
ছবিঃ কাঠবিড়ালি

মাটিতে চলাফেরা করা কাঠবিড়ালি সচরাচর বাদাম,পাতা, গাছের শিকড়, বীজ, অন্যান্য পোকামাকড় খেয়ে থাকে।কিন্তু অন্যান্য শিকারী প্রানীদের থেকে এদের অনেক সতর্ক থাকতে হয়।কেননা এরা অনেক প্রানীর খাদ্যতালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। তবে অনেক সময় এরা দলবেধে এক যায়গায় বিচরণ করে।বিপদ তাদের দিকে এগিয়ে আসতে দেখলে তারা একে অপরকে সতর্ক করে। এভাবে তারা বিভিন্ন ধরনের বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করে থাকে। যে এলাকায় কাঠ বেশি উৎপাদন হয় সেসব এলাকায় কাঠবিড়ালির বেশি দেখা যায়।এদের সর্বোচ্চ আরোহী বলা হইলেও তাদেরকে খাবারের সন্ধানে মাটিতে আসতে হয়। গাছে যে সব কাঠবিড়ালি বাস করে তাদের বৃক্ষবাসী বলা হয়।এরা দিনের বেলায় সকল ধরনের কাজকর্ম করে বলে এদের দিবাচরও বলা হয়।

Red squirrel
ছবিঃ লাল কাঠবিড়ালি

কাঠবিড়ালির বৈশিষ্ট্যঃ

১। এদের শরীর লম্বাটে । পুরো শরীর লোম দ্বারা আবৃত।

২। লেজ লোম দ্বারা ঝোপ আকৃতির মত হয়ে থাকে।

৩। এদের চোখ বড় বড় এবং খুব সুন্দর প্রকৃতির।

৪। এদের লোম মোলায়েম প্রকৃতির এবং নরম প্রকৃতির হয়।

৫। প্রজাতি উপর নির্ভর করে এরা বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে।

এদের সম্পর্কে বিচিত্র রকমের তথ্য হল এদের স্মৃতিশক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়। তাদের স্মৃতিশক্তি এতটাই দুর্বল যে তারা তাদের খাদ্য তারা কোথায় লুকিয়ে রাখে তা ৯০ ভাগ মনে রাখতে পারে না। এ জন্য পৃথিবীতে গাছের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বৈশিষ্ট্য অন্যসব প্রাণী থেকে আলাদা করে রাখে।বন্য কাঠবিড়ালিরা নিজেদের বিশেষ ভাবে ট্রেনিং দিয়ে প্রশিক্ষিত করে। এর কারনে তারা বিপদ-মুক্ত অনেক উৎস থেকে অতি সহজেই খাবার সংগ্রহ করতে পারে।সম্প্রতি একটি গবেষণা হতে দেখা গেছে যে তাদের স্মৃতিশক্তি দুই বছর পজন্ত থাকতে পারে কিছু কিছু প্রজাতির ক্ষেত্রে। কাঠবিড়ালিরা সাদা মরিচ এবং এক প্রকার লালচে গন্ধ সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করে। এরা কালো মরিচ এবং রসুনের গন্ধও অপছন্দ করে।

কাঠবিড়ালি
ছবিঃ কাঠবিড়ালি

কাঠবিড়ালি স্তন্যপায়ী প্রাণী হওয়ায় এদেরও মানুষের মত অনূভুতি এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে। তুমি যদি  কাঠবিড়ালি এর সাথে কিছুটা সময় কাটাও তবে তাদেরও যে সুখ-দুঃখ, রাগ,কৌতুহল, হতাশা রয়েছে। বিষাক্ত খাবার কাঠবিড়ালি এর জন্য মরাত্মক প্রমান হয়ে থাকে। এদের সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে  এদেরকে খাবার দিতে হবে। কোন অপরিচিত ব্যাক্তি যদি তাদের পছন্দের খাবার (বাদাম) ছুড়ে দেয় তবে কাঠবিড়ালি ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে এবং ঐ মানুষের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায়।

বিভিন্ন রকমের কাঠবিড়ালি রয়েছে । প্রত্যেক কাঠবিড়ালি তাদের নিজস্ব কিছু কার্যকলাপ করে থাকে যা অনেকটা উপভোগ করার মত। কাঠবিড়ালিদের সাধারন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা সত্ত্বেও প্রত্যেক প্রজাতির কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে যা তাদেরকে প্রাজতি ভেদে একে অপরকে আলাদা করেছে। কাঠবিড়ালির কয়েকটি প্রজাতি সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন

Facebook Comments

YappoBD

YappoBD-হলো poshupakhi.com এর একমাত্র স্বত্তাধীকারি। এই ওয়েবসাইটের সকল প্রকার কন্টেন্ট ইয়াপ্পোবিডি কর্তৃপক্ষ দ্বারা লিখিত, পরিমার্জিত এবং এটি ইয়াপ্পোবিডি এর অঙ্গসংস্থান।